World Health Organization (WHO) এর মতে শরীরের পাশাপাশি মনকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য অর্থ কিন্তু কেবল মানসিক রোগ নয়। শরীরে কোনো রোগ না থাকলেও শারীরিক সুস্থতার জন্য যেমন প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করতে হয়, গোসল করতে হয়, সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হয়, ব্যায়াম করতে হয়, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য আর অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে হয়। তেমনি মনের সুস্থতার জন্য নিয়মিত মনের যত্ন নিতে হয়, মনকে তার ‘খাদ্য’ দিতে হয়, মনের ‘ব্যায়াম’ করতে হয় আর মনের জন্য ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে হয়। নয়তো মন ভালো থাকবে না আর মন ভালো না থাকলে সার্বিকভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব হবে না। মন আর শরীর পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত, তাই মনের সমস্যা হলে শরীরের ওপর এর প্রভাব পড়ে আবার শরীর খারাপ হলে মনও খারাপ হয়।
সেশনের প্রথমেই অংশগ্রহনকারীদের সাথে পরিচিত পর্ব এবং তাদের IYCM সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। ক্রমান্বয়ে তাদের কাছে মানসিক স্বাস্থ্য কি, কেন আমাদের তা নিয়ে যত্নবান হতে হবে, কিভাবে খারাপ সময়ে মানষিক বিষন্নতা থেকে নিজদের উত্তরণ করা যায় এই বিষয়ে অংশগ্রহনকারীদের ধারণা দেওয়া । এরপর কুইজের মাধ্যমে তাদের মনোযোগ যাচাই ও তিনজনকে বাছাই করে পুরষ্কৃত করা হয়। আলোচনার বিষয়ে অংশগ্রহনকারীদের অভিমত জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা জানায় যে, নতুন বছরে তারা নতুন কিছু বিষয়ে ধারণা পেয়েছে।