ক্লাইমেট জাস্টিস নাও

গত ২৮ অক্টোবর বাংলাবাজার মডেল গার্লস হাই স্কুল, কক্সবাজার জেলায় । ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেইঞ্জ মেকারের #আইওয়াইসিএম এর সহযোগিতায় “স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ” উদ্যোগে ক্লাইমেট জাস্টিস নাও” শীর্ষক সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এবং কিশোর ও যুবকদের করণীয় নিয়ে উক্ত সেশনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
সেশনটি পরিচালনা করেন স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের সদস্য জনি আক্তার, খাইরুল ইসলাম রিফাত, ওমর ফারুক এবং রিচি মণি।
#আইওয়াইসিএম প্রজেক্ট চেইঞ্জ মেকার ফর বাংলাদেশ প্রজেক্ট এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ও তাদের জলবায়ু রক্ষায় ভূমিকা পৌছে দেওয়াই ক্যাম্পেইন মূল লক্ষ্য।
সচেতনতামূলক সেশনটি ছাত্রীদের জন্য শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা ছিল। জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করার পাশাপাশি, তাদের করণীয় সম্পর্কে সচেতন করে তোলা হয়। জলবায়ু ও জলবায়ু পরিবর্তন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কিন্তু এ বিষয়ে আমরা আসলে কতটুকু সচেতন? এ বিষয়ে তরুণ প্রজন্মই বা কতটুকু জানে? এ বিষয়ে সবারই কি কিছু করণীয় আছে? এ বিষয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আদৌ কি আমরা কোনো পরিকল্পনা করতে পেরেছি? বিশ্বনেতারা কি গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ আদৌ শূন্যে নামিয়ে আনতে পারবেন? সেক্ষেত্রে তরুণ সমাজের কি কোনো ভূমিকা আছে?- জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এ ধরনের নানা প্রশ্ন আমার মতো আশা করি অনেকের মনেই জন্ম নেয়।
বাংলাদেশের মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এমন নানামুখী পরিবর্তন ঘটছে। এককথায় পৃথিবী পৃষ্ঠের গড় উষ্ণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এক সংকটজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে সব মানুষ। অবশ্য বহু বছর ধরেই পৃথিবীর গড় উষ্ণতা কখনো বেড়েছে কিংবা কখনো কমেছে। এসব পরিবর্তন ঘটেছে খুব ধীরে। একেক ধরনের পরিবর্তন হওয়ার জন্য দশ থেকে হাজার লক্ষ বছর কেটে গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেসব পরিবর্তন ঘটেছে সেসব খুবই দ্রুত হচ্ছে। প্রয়োজনী এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ।