২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সাল। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছিল তরুণ-যুবসহ আরো অনেকে। মায়ের ভাষা বাংলাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিতে রক্ত দিয়েছে রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জববার, আবুল বরকত, আবদুস সালাম এবং অহিউল্লাহ্ নামে আট/নয় বছরের এক কিশোরসহ নাম না জানা আরো অনেকেই। ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এই ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল। জাতীয় পরিষদে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের (১৬ই ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) এক পর্যায়ে এর সদস্য ফরিদপুরের আদেলউদ্দিন আহমদের (১৯১৩-১৯৮১) দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। আমরা পাই আমাদের মায়ের ভাষা বাংলায় কথা বলার অধিকার। এই ভাষা আন্দোলনকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হয়।

১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। তার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে এই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতিটি বাঙালির মাথা উঁচু করে কথা বলার প্রেরণা। ভাষা শহিদরা যেভাবে রক্ত দিয়ে বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে অর্জন করার জন্য অনন্য ভূমিকা পালন করেছে ঠিক সেভাবে বাংলা ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার, উচ্চারণ, প্রাঞ্জলতা এবং বিশুদ্ধতা রক্ষা আমাদের প্রতিটি বাঙালির একান্ত দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ এ International Youth Change Maker (IYCM) আয়োজন করতে চলেছে শুদ্ধ বানান চর্চার আয়োজন ‘বানান লিখি, বানান শিখি’। উক্ত আয়োজনকে অলংকৃত করতে আপনিও আমাদের সাথে সঠিক ও শুদ্ধ বাংলা বানান চর্চায় অংশ নিতে পারেন এবং যোগ দিতে পারেন সেচ্ছাসেবক হিসেবেও অংশগ্রহণকারী এবং সেচ্ছাসেবক দের জন্য রয়েছে সার্টিফিকেট এবং উপহারসামগ্রী। সেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিতে নিচের দেয়া গুগল ফর্ম লিংক এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করুন।

স্থান- শহিদ মিনার এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

সময়- সকাল ১০ টা।

তারিখ- ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

রেজিষ্ট্রেশন ফিঃ ২০ টাকা মাত্র।

রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ https://forms.gle/XsN1qjawAdRDEjNJA