সাইবার সচেতনতা মূলক প্রোগ্রাম

UNICEF Bangladesh ভাষ্যমতে, ডিজিটাল মাধ্যম (ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমেইল, লিংকডইন ইত্যাদি) ব্যবহার করে কাউকে হয়রানি বা উত্ত্যক্ত করাই সাইবার বুলিং। উত্ত্যক্তকারীরা কোনো এক ব্যক্তিকে নিশানা করে ভয় দেখায়, রাগায়, লজ্জা দেয়, আবার কখনো-বা তার সর্বস্ব কেড়ে নেয়। বলা চলে সবচেয়ে বেশি তরুণ প্রজন্মই এ ধরনের সাইবার ফাঁদের নিয়ন্ত্রণকারী, একই সঙ্গে তারা ভুক্তভোগীও বটে। নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, তাদের মধ্যে সাইবার প্রতারণার মনোভাব তৈরিতে অনেক বড় এবং শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে কোভিড-১৯-এর সময়কাল। এ বিষয়ে একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে, ভয়াবহ করোনা মহামারির সময় তরুণ প্রজন্ম দীর্ঘ লকডাউনে আবদ্ধ হওয়ার ফলে তাদের মধ্যে অনলাইন আসক্তিসহ ডিজিটাল প্রতারণার জন্ম হয়। পরবর্তী সময়ে তারা তাদের সমবয়সি পরিচিত কোনো বন্ধুবান্ধব বা অপরিচিত কাউকে সেই ফাঁদে আটকিয়ে নিজেদের স্বার্থ মেটানোর চেষ্টা করে।এখন প্রয়োজন সচেতনতা।

নড়াইল জেলা শিল্প কলা একাডেমি তে National Children’s Task Force, Bangladesh এর সদস্যদের নিয়ে সাইবার সচেতনতা মূলক প্রোগ্রাম আয়োজন করে,নড়াইল জেলার চেইঞ্জ মেকার আশিকুর রহমান সৌরভ